
সংগঠনের সদস্যরা জানিয়েছেন, ‘বাণী সেবা সংঘ’ এর লক্ষ্য কেবল পূজার আয়োজনে সীমাবদ্ধ নয় এই সংগঠনের মাধ্যমে তারা সমাজের পিছিয়ে পড়া জনগোষ্ঠীর পাশে দাঁড়াতে চান, মন্দিরগুলোর সংস্কার ও উন্নয়ন কার্যক্রমে যুক্ত থাকতে চান এবং সর্বোপরি নতুন প্রজন্মের মাঝে ধর্মীয় জ্ঞান ও নৈতিক শিক্ষার বীজ বপন করতে চান।
এই মহতী যাত্রার সূচনা হতে যাচ্ছে আগামী ২৩ জানুয়ারি ২০২৬, শুক্রবার, বসন্ত উৎসবের অনুষঙ্গে সরস্বতী পূজার মাধ্যমে। ইতোমধ্যেই পূজার প্রস্তুতি সম্পন্ন হয়েছে। মণ্ডপ নির্মাণ থেকে শুরু করে বিগ্রহ স্থাপন, আলোকসজ্জা, সাংস্কৃতিক পরিবেশনা সবকিছুতেই পরিলক্ষিত হচ্ছে তরুণদের আন্তরিকতা ও দায়িত্ববোধ।
সংগঠনের অন্যতম উদ্যোক্তারা জানান, বর্তমান সমাজে ধর্মীয় শিক্ষার অভাব, মন্দিরগুলোর প্রতি অবহেলা এবং সামাজিক সচেতনতার ঘাটতি তাদের উদ্বুদ্ধ করেছে এ ধরনের একটি সংগঠন গঠনে।
‘বাণী সেবা সংঘ’ ভবিষ্যতে পরিপূর্ণরূপে সমাজসেবামূলক কার্যক্রমে যুক্ত হয়ে ত্রাণ বিতরণ, শিক্ষা সহায়তা, ধর্মীয় অনুষ্ঠান আয়োজন, বৃক্ষরোপণসহ বিভিন্ন জনকল্যাণমূলক কাজে অংশগ্রহণের পরিকল্পনা গ্রহণ করেছে।
তরুণ উদ্যোক্তারা আশাবাদী, সমাজের সকল মহল, বিশেষ করে হিন্দু সম্প্রদায়ের প্রবীণ, শিক্ষিত ও অভিজ্ঞজনরা তাদের পাশে থাকবেন এবং এই সংগঠনের সৎ প্রয়াসকে এগিয়ে নিতে আশীর্বাদ ও সহায়তা করবেন।
সংগঠনের পক্ষ থেকে জানানো হয় “আমরা বিশ্বাস করি, একটি সমাজ তখনই আলোকিত হয় যখন সেই সমাজের প্রতিটি মানুষ নৈতিক, ধার্মিক ও সেবাপ্রবণ হয়ে ওঠে। ‘বাণী সেবা সংঘ’ সেই আলো ছড়িয়ে দিতে চায় ঘরে ঘরে, প্রাণে প্রাণে।”