
রাঙামাটি জেলার রাজস্থলী উপজেলার বাঙ্গালহালিয়া শ্রী শ্রী রাধামদন গোপাল গিরিধারী সেবা কুঞ্জ পরিচালনা কমিটি ও পরমারাধ্য গুরুদেব শ্রী শ্রী ১০৮ চরণ দাস বাবাজী মহারাজের শিষ্যবর্গ ও ভক্তবৃন্দের সম্মিলিত উদ্যোগে ২০২৫ সালের শ্রী শ্রী গিরিরাজ গোবর্ধন পূজা ও অন্নকূট লীলা স্মরণোৎসব এবং গুরু মহারাজের তৃতীয় তিরোভাব তিথি উপলক্ষে শ্রী শ্রী চৈতন্য চরিতামৃত পারায়ণ, বৈষ্ণব সেবা, পুষ্প যজ্ঞ ও সনাতন ধর্মীয় সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়।
উৎসবটি শুক্রবার, ৭ নভেম্বর বাঙ্গালহালিয়া সেবা কুঞ্জ প্রাঙ্গণে অনুষ্ঠিত হয়। ব্রহ্মমুহূর্তে মঙ্গল আরতি ও বাল্যভোগ নিবেদনের মাধ্যমে দিনের সূচনা হয়। সকাল ১০টায় অনুষ্ঠিত হয় শ্রীমদ্ভগবদ্গীতা পাঠ প্রতিযোগিতা এবং দুপুর ১২টায় শুরু হয় মহতী ধর্মীয় সম্মেলন।
ধর্মীয় সম্মেলনে সভাপতিত্ব করেন সেবা কুঞ্জের অধ্যক্ষ ও উৎসব পরিচালনা কমিটির সভাপতি মাদব গৌর দাস বাবাজী। অনুষ্ঠানের উদ্বোধন করেন বাঙ্গালহালিয়া সনাতন ঋষি আশ্রমের মঠাধ্যক্ষ শ্রী শ্রীমৎ স্বামী সনাতন ঋষি গুরু মহারাজ।
সাংবাদিক হারাধন কর্মকার এর সঞ্চালনায় স্বাগত বক্তব্য রাখেন উৎসব পরিচালনা কমিটির সাধারণ সম্পাদক জিকু কুমার দে।
অনুষ্ঠানে প্রধান ধর্মীয় আলোচক ছিলেন বাঙ্গালহালিয়া জ্যোতিশ্বর বেদান্ত মঠ ও মিশনের মঠাধ্যক্ষ শ্রী শ্রীমৎ স্বামী অভেদানন্দ গিরি মহারাজ।
প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের মাননীয় ট্রাস্টি, ধর্ম মন্ত্রণালয়ের শ্রীযুক্ত দীপক কুমার পালিত।
গেস্ট অব অনার হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বিএনপির কেন্দ্রীয় কমিটির সহ ধর্ম বিষয়ক সম্পাদক ও ২৯৯ নং রাঙামাটি সংসদীয় আসনের বিএনপি মনোনীত সংসদ সদস্য প্রার্থী এডভোকেট দীপেন দেওয়ান।
বিশেষ অতিথি হিসেবে আরও উপস্থিত ছিলেন
এ্যাডভোকেট সাইফুল ইসলাম পনির, জেলা বিএনপির যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মজিবুল হক, জেলা যুবদলের সভাপতি নুরু নবী, উপজেলা বিএনপির সভাপতি, সাধারণ সম্পাদক, সাংগঠনিক সম্পাদক, উপজেলা ছাত্রদলের আহ্বায়ক নাইমুল ইসলাম রনি, বাংলাদেশ গীতা শিক্ষা পরিষদ (বাগীশিপ) কেন্দ্রীয় কমিটির অধ্যাপক শিপুল দে,
চট্টগ্রাম বিভাগের বাংলাদেশ হিন্দু বৌদ্ধ খ্রিস্টান কল্যাণ ফ্রন্ট কেন্দ্রীয় কমিটির সদস্য রাজীব ধর তমাল এবং চাকসু নির্বাচনে সমাজসেবা, পরিবেশ ও মানবাধিকার সম্পাদক পদে বিজয়ী শ্রীমতি পূর্ণিমা রাধে।
এছাড়া রাজস্থলী প্রেসক্লাবের সাংবাদিকবৃন্দ, স্থানীয় বিভিন্ন সংগঠনের নেতৃবৃন্দ ও অসংখ্য ভক্ত-ভগিনী উৎসবে অংশগ্রহণ করেন। দিনব্যাপী এই ধর্মীয় উৎসবে শত শত ভক্ত অন্নপ্রসাদ গ্রহণ করেন এবং বিভিন্ন মঠ-মন্দিরের মহারাজগণও অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন।