
ময়মনসিংহের ভালুকা উপজেলায় সংঘটিত বহুল আলোচিত দিপু চন্দ্র দাস (২৮) হত্যাকাণ্ডের ঘটনায় আরও এক নেতৃত্বদানকারী আসামিকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। গ্রেপ্তারকৃতের নাম ইয়াছিন আরাফাত (২৫)। ০৭ জানুয়ারী বিকেল আনুমানিক ৪টার দিকে ডিএমপির সহায়তায় ঢাকার ডেমরা থানার সারুলিয়া এলাকা থেকে তাকে আটক করা হয়। সত্য সনাতন টিভি
পুলিশ সূত্রে জানা যায়, ইয়াছিন আরাফাতের বাবা গাজী মিয়া ও মা সফুরা খাতুন। তার বাড়ি ময়মনসিংহ জেলার ভালুকা উপজেলার হবিরবাড়ি এলাকার কড়ইতলা মোড়ে। পেশায় তিনি একজন মাদরাসা শিক্ষক। দিপু হত্যাকাণ্ডের পর থেকেই তিনি আত্মগোপনে ছিলেন। সত্য সনাতন টিভি
তদন্ত সংশ্লিষ্ট সূত্র জানায়, ময়মনসিংহের ভালুকা থানাধীন পাইওনিয়ার নিটওয়্যার বিডি লিমিটেডের ফটকে সংঘটিত এই নৃশংস হত্যাকাণ্ডে ইয়াছিন আরাফাত সক্রিয় ভূমিকা পালন করেন। ঘটনার সময় তিনি কারখানার ফটকে স্লোগান দিয়ে লোকজন জড়ো করেন এবং দিপুকে সংঘবদ্ধভাবে মারধরের মাধ্যমে হত্যা করার ক্ষেত্রে নেতৃত্ব দেন। পরে মরদেহ রশি দিয়ে টেনে-হিঁচড়ে স্কয়ার মাস্টারবাড়ি এলাকায় নিয়ে গিয়ে পোড়ানোর ঘটনাতেও তার সম্পৃক্ততা রয়েছে বলে জানায় পুলিশ। সত্য সনাতন টিভি
ময়মনসিংহ জেলার অতিরিক্ত পুলিশ সুপার আব্দুল্লাহ আল মামুন জানান, “হত্যাকাণ্ডে জড়িত অন্যান্য পলাতক আসামিদের গ্রেপ্তারে অভিযান অব্যাহত রয়েছে। খুব শিগগিরই আরও আসামিকে আইনের আওতায় আনা সম্ভব হবে।”
পুলিশ আরও জানায়, দিপু হত্যা মামলায় এ পর্যন্ত মোট ২১ জন আসামিকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। এর মধ্যে ৩ জন গুরুত্বপূর্ণ সাক্ষী ফৌজদারি কার্যবিধির ১৬৪ ধারায় আদালতে সাক্ষ্য দিয়েছেন। পাশাপাশি ৯ জন আসামি একই ধারায় স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি প্রদান করেছেন।
এ ঘটনাকে কেন্দ্র করে এলাকাজুড়ে এখনও থমথমে পরিস্থিতি বিরাজ করছে। আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখতে পুলিশি নজরদারি জোরদার করা হয়েছে।