
বরিশাল জেলার বাবুগঞ্জ উপজেলার ব্রাহ্মণদিয়া গ্রামের ২২ বছর বয়সী স্বর্ণা রানী রায় (ধর্মান্তরিত নাম: স্বর্ণা আক্তার) আত্মহত্যা করেছেন বলে প্রাথমিকভাবে জানা গেছে। ঘটনাটি ঘটেছে ২৮ অক্টোবর ২০২৫ ইংরেজি মঙ্গলবার রাতে বরিশাল শহরের কাউনিয়া থানার ক্লাবরোড এলাকার একটি ভাড়া বাসায়।
পুলিশ সূত্রে জানা যায়, ওই রাতে স্বর্ণা ফ্যানের সাথে ঝুলন্ত অবস্থায় নিজ কক্ষে মৃত অবস্থায় পাওয়া যায়। খবর পেয়ে কাউনিয়া থানা পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে লাশ উদ্ধার করে।
স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, স্বর্ণা বগুড়া রোডের ‘বরিশাল মেডিনোভা’ নামে একটি বেসরকারি প্রতিষ্ঠানে কর্মরত ছিলেন। একই প্রতিষ্ঠানের মালিকের বন্ধু ও ব্যবসায়িক পার্টনার মো. রনির সঙ্গে তার প্রেমের সম্পর্ক গড়ে ওঠে। পরে তারা গোপনে বিবাহবন্ধনে আবদ্ধ হন এবং স্বর্ণা ধর্মান্তরিত হন বলে অভিযোগ রয়েছে।
তবে জানা যায়, মো. রনি আগেও বিবাহিত ছিলেন এবং তার সংসার রয়েছে। এই তথ্য জানার পর স্বর্ণার সঙ্গে তার বিরোধ শুরু হয়। পরিবার ও স্থানীয়দের ধারণা, এই পারিবারিক অশান্তির জেরেই স্বর্ণা আত্মহত্যার পথ বেছে নিতে পারেন।
অন্যদিকে, স্বর্ণার মা অভিযোগ করেছেন তার মেয়েকে পরিকল্পিতভাবে হত্যা করা হয়েছে। তিনি জানান, “আমার মেয়ে এমন কিছু করতে পারে না। ওকে প্রতারণা করে ধর্মান্তরিত করা হয়েছে।” “সত্য সনাতন টিভি”
এদিকে, মো. রনির সহযোগীরা স্বর্ণার ধর্মান্তর ও বিয়ের কাগজপত্র দেখিয়ে প্রশাসনের অনুমতি নিয়ে তার দাফন সম্পন্ন করেছেন বলে জানা গেছে। “সত্য সনাতন টিভি ”
কাউনিয়া থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) জানান, “লাশ ময়নাতদন্তের জন্য পাঠানো হয়েছে। রিপোর্ট না আসা পর্যন্ত আত্মহত্যা না হত্যা তা নিশ্চিতভাবে বলা যাচ্ছে না।”এ ঘটনায় এলাকায় ব্যাপক চাঞ্চল্য সৃষ্টি হয়েছে।