নিজস্ব প্রতিবেদক : জয় দাশ | সত্য সনাতন টিভি
দুষ্টের দমন ও শিষ্টের লালন করতে পৃথিবীতে আবির্ভূত হয়েছিলেন ভগবান শ্রীকৃষ্ণ এই বিশ্বাস পোষণ করেন সনাতন ধর্মাবলম্বীরা। শ্রীকৃষ্ণের এই আবির্ভাব তিথি শুভ জন্মাষ্টমী হিসেবে উদ্যাপন করা হয়।
সনাতন ধর্মে আরাধ্য শ্রীবিষ্ণুর পূর্ণ অবতার ভগবান শ্রীকৃষ্ণের জন্মতিথি ও শুভ জন্মাষ্টমী আজ ৪ সেপ্টেম্বর রোজ শুক্রবার সারা দেশে ধর্মীয় ভাবগাম্ভীর্য ও আনন্দ-উৎসবের মধ্য দিয়ে দিনটি পালন করছেন সনাতন ধর্মাবলম্বীরা।
সনাতন ধর্মের মানুষ বিশ্বাস করেন, পাশবিক শক্তি যখন ন্যায়নীতি, সত্য ও সুন্দরকে গ্রাস করতে উদ্যত হয়েছিল, তখন সেই শক্তিকে দমন করে মানবজাতির কল্যাণ এবং ন্যায়নীতি প্রতিষ্ঠার জন্য মহাবতার ভগবান শ্রীকৃষ্ণের আবির্ভাব ঘটেছিল।
শ্রীকৃষ্ণের ৫২৫৩ তম শুভ জন্মাষ্টমী । এই দিনটি হিন্দু পঞ্জিকার ভাদ্র মাসের কৃষ্ণপক্ষের অষ্টমী তিথিতে পড়ে, যা শ্রীকৃষ্ণের জন্মতিথি হিসেবে উদযাপিত হয়।
শ্রীকৃষ্ণের জন্ম এবং জন্মাষ্টমীর তাৎপর্য:
প্রায় সাড়ে পাঁচ হাজার বছর আগে দ্বাপর যুগে ভাদ্র মাসের কৃষ্ণপক্ষের অষ্টমী তিথিতে শ্রীকৃষ্ণ ধরাধামে আবির্ভূত হন। অত্যাচারী ও দুর্জনের বিরুদ্ধে শান্তিপ্রিয় সাধুজনের অধিকার প্রতিষ্ঠার লক্ষ্যে কংসের কারাগারে জন্ম নেন তিনি। শিষ্টের পালন ও দুষ্টের দমনে তিনি ব্রতী ছিলেন। সত্য ও ন্যায় প্রতিষ্ঠার ক্ষেত্রে শ্রীকৃষ্ণ তাই ভগবানের আসনে অধিষ্ঠিত।
সনাতন ধর্মানুযায়ী যখনই পৃথিবীতে অধর্ম বেড়ে গিয়ে ধার্মিক ও সাধারণের জীবন দুর্বিষহ হয়ে ওঠে, তখনই দুষ্টের দমন ও শিষ্টের পালনের মাধ্যমে ধর্মের রক্ষার জন্য ভগবান শ্রীকৃষ্ণ অবতার রূপে ধরায় নেমে আসেন।
তিনি মথুরায় জন্মগ্রহণ করেন এবং তাঁর জীবনে ধর্ম, ন্যায় এবং ভক্তির মূর্ত প্রতীক হয়ে উঠেন। জন্মাষ্টমী উপলক্ষে ভক্তরা উপবাস পালন করেন, মন্দিরে পূজা-অর্চনা করেন এবং মধ্যরাতে শ্রীকৃষ্ণের জন্মলীলার স্মরণে বিশেষ অনুষ্ঠান আয়োজন করেন।