নিজস্ব প্রতিবেদক : সমীর রুদ্র | কক্সবাজার প্রতিনিধি
কক্সবাজারের চকরিয়ায় সনাতন ধর্মাবলম্বীদের অন্যতম প্রধান ধর্মীয় উৎসব শ্রীশ্রী জন্মাষ্টমী মহোৎসব এবং ২৯তম বর্ষের ষোড়শ প্রহরব্যাপী মহানামযজ্ঞকে ঘিরে উৎসবমুখর পরিবেশের সৃষ্টি হয়েছে। শ্রীশ্রী জন্মাষ্টমী উদযাপন পরিষদ-বাংলাদেশ, চকরিয়া উপজেলা শাখা এবং নিত্যানন্দ গীতা সংঘের যৌথ উদ্যোগে এ আয়োজন অনুষ্ঠিত হবে।
উৎসবটি চকরিয়া পৌরসভার চিরিঙ্গা হিন্দু পাড়ায় অবস্থিত চকরিয়া সার্বজনীন কেন্দ্রীয় হরি মন্দির প্রাঙ্গণে অনুষ্ঠিত হবে। আয়োজকরা জানিয়েছেন, বাংলা ১৮ থেকে ২১ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ এবং ইংরেজি ৪ থেকে ৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬ পর্যন্ত পাঁচ দিনব্যাপী নানা ধর্মীয় ও সাংস্কৃতিক কর্মসূচির মধ্য দিয়ে এ মহোৎসব পালিত হবে।
কর্মসূচি অনুযায়ী, ৪ সেপ্টেম্বর শুক্রবার বর্ণাঢ্য মঙ্গল শোভাযাত্রা, আলোচনা সভা, গীতাপাঠ প্রতিযোগিতা, শ্রীমদ্ভগবদ্গীতা পাঠ, সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান এবং জন্মাষ্টমী পূজার মাধ্যমে উৎসবের উদ্বোধন করা হবে।
পরদিন ৫ সেপ্টেম্বর শনিবার দুপুর ১২টা থেকে সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান এবং সন্ধ্যা ৬টায় ২৯তম বর্ষের ষোড়শ প্রহরব্যাপী মহানামযজ্ঞের শুভ অধিবাস অনুষ্ঠিত হবে। এ অনুষ্ঠানে আশীর্বাদক হিসেবে উপস্থিত থাকবেন শ্রীমৎ স্বামী মহানন্দ পুরী মহারাজ। পৌরোহিত্য ও অধিবাস অনুষ্ঠানে কীর্তন পরিবেশন করবেন শ্রীশ্রী ১০৮ স্বরূপ দাস বাবাজী।
উৎসবের মূল আয়োজন হিসেবে ৬ ও ৭ সেপ্টেম্বর রবি ও সোমবার অহোরাত্র ষোড়শ প্রহরব্যাপী শ্রীশ্রী তারকব্রহ্ম মহানামযজ্ঞ অনুষ্ঠিত হবে। এ দুই দিন দুপুর ১টা ও রাত ১০টায় ভক্তদের মাঝে মহাপ্রসাদ বিতরণ করা হবে।
মহানামকীর্তন পরিবেশনায় দেশের বিভিন্ন অঞ্চল থেকে খ্যাতিমান সম্প্রদায় অংশ নেবে। এর মধ্যে রয়েছে খুলনার শ্রীশ্রী কৃষ্ণভক্ত সম্প্রদায়, সাতক্ষীরার শ্রীশ্রী শ্যামসুন্দর সম্প্রদায় ও শ্রীশ্রী বাবা লোকনাথ সম্প্রদায়, ঢাকার শ্রীশ্রী বন্ধুবিহারী সম্প্রদায় এবং গোপালগঞ্জের শ্রীশ্রী গুরু চাঁদ ঠাকুর সম্প্রদায়।
আয়োজক কমিটির পক্ষ থেকে সর্বস্তরের সনাতন ধর্মাবলম্বী ভক্তদের এই মহোৎসবে অংশ নিয়ে ভগবানের কৃপা ও আশীর্বাদ গ্রহণের জন্য আহ্বান জানানো হয়েছে।