নিজস্ব প্রতিবেদন : জয় দাশ || চট্টগ্রাম প্রতিনিধি
চট্টগ্রামের ফটিকছড়ী উপজেলার নারায়ণহাট ইউনিয়নের দক্ষিণ জুজখোলা সার্বজনীন শ্রী শ্রী রাধাকৃষ্ণ, দুর্গা ও গীতা মন্দিরের নিরাপত্তা ব্যবস্থা আরও শক্তিশালী করতে সিসিটিভি ক্যামেরা প্রদান করা হয়েছে। ধর্মীয় প্রতিষ্ঠানের সার্বিক নিরাপত্তা নিশ্চিত করা এবং আধুনিক প্রযুক্তিনির্ভর নজরদারি ব্যবস্থা গড়ে তোলার লক্ষ্যে এ উদ্যোগ গ্রহণ করা হয়।
সম্প্রতি চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের সংস্কৃতি বিভাগের সহকারী অধ্যাপক ও সনাতন বিদ্যার্থী সংসদের প্রতিষ্ঠাতা ড. কুশল বরণ চক্রবর্তীর ব্যক্তিগত উদ্যোগে মন্দিরে সিসিটিভি ক্যামেরা হস্তান্তর করা হয়। মন্দির পরিচালনা কমিটির সদস্যরা কৃতজ্ঞতার সঙ্গে এ নিরাপত্তা সরঞ্জাম গ্রহণ করেন।
সংশ্লিষ্টরা জানান, বর্তমান প্রেক্ষাপটে ধর্মীয় উপাসনালয়ের নিরাপত্তা নিশ্চিত করা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। মন্দিরে সিসিটিভি ক্যামেরা স্থাপনের মাধ্যমে সার্বক্ষণিক নজরদারি সহজ হবে, যেকোনো অনাকাঙ্ক্ষিত ঘটনা দ্রুত শনাক্ত করা সম্ভব হবে এবং নিরাপত্তা ব্যবস্থাপনা আরও কার্যকর হবে। একই সঙ্গে মন্দিরে আগত ভক্ত, দর্শনার্থী ও স্থানীয় বাসিন্দাদের মধ্যেও নিরাপত্তাবোধ বৃদ্ধি পাবে।
স্থানীয় বাসিন্দারা জানান, ধর্মীয় প্রতিষ্ঠানগুলো কেবল উপাসনার স্থানই নয়, বরং সামাজিক ও সাংস্কৃতিক সম্প্রীতির গুরুত্বপূর্ণ কেন্দ্র। তাই এসব প্রতিষ্ঠানের নিরাপত্তা নিশ্চিত করা সময়ের দাবি। তাদের মতে, ড. কুশল বরণ চক্রবর্তীর এই উদ্যোগ ধর্মীয় প্রতিষ্ঠান রক্ষায় একটি ইতিবাচক ও সময়োপযোগী পদক্ষেপ।
এলাকাবাসী আরও বলেন, সমাজসেবা, শিক্ষা ও ধর্মীয় প্রতিষ্ঠানের উন্নয়নে ড. কুশল বরণ চক্রবর্তী দীর্ঘদিন ধরে বিভিন্ন ইতিবাচক উদ্যোগ গ্রহণ করে আসছেন। মন্দিরে সিসিটিভি ক্যামেরা প্রদানও সেই ধারাবাহিকতার অংশ। ভবিষ্যতেও তিনি সমাজকল্যাণ ও ধর্মীয় প্রতিষ্ঠানগুলোর উন্নয়নে এ ধরনের কার্যক্রম অব্যাহত রাখবেন বলে তারা আশা প্রকাশ করেন।
মন্দির পরিচালনা কমিটির পক্ষ থেকে এ উদ্যোগের জন্য ড. কুশল বরণ চক্রবর্তীর প্রতি আন্তরিক কৃতজ্ঞতা জানানো হয়। তারা বলেন, আধুনিক নিরাপত্তা ব্যবস্থা যুক্ত হওয়ায় মন্দিরের সম্পদ সংরক্ষণ, নিয়মিত কার্যক্রম পরিচালনা এবং ভক্তদের নিরাপদ পরিবেশ নিশ্চিত করতে এটি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।
স্থানীয়দের মতে, প্রযুক্তিনির্ভর নিরাপত্তা ব্যবস্থার এ সংযোজন শুধু একটি মন্দিরের নিরাপত্তাই বৃদ্ধি করবে না, বরং অন্যান্য ধর্মীয় প্রতিষ্ঠানকেও একই ধরনের উদ্যোগ গ্রহণে উৎসাহিত করবে।