শেরপুরে ঐতিহ্যবাহী কাশিয়াবালা হরিবাসর অনুষ্ঠিত হয়েছে ভক্তি ও উৎসাহের মধ্য দিয়ে,অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন শেরপুর পৌরসভার সাবেক মেয়র ও শেরপুর পৌর বিএনপির সভাপতি স্বাধীন কুমার কুন্ডু।
অনুষ্ঠানের বিবরণ গতকাল সন্ধ্যায় শহরের কাশিয়াবালা মন্দির প্রাঙ্গণে হরিবাসর উপলক্ষে দিনব্যাপী নামসংকীর্তন, ভোগ আরতি ও মহাপ্রসাদ বিতরণের আয়োজন করা হয়। শ্রীহরিবাসর উপলক্ষে “হরি-কীর্তন-বিধান” অনুসারে মৃদঙ্গ, মন্দিরা, শঙ্খ ও করতাল সহযোগে গোপাল-গোবিন্দ নামে সঙ্কীর্তন পরিবেশন করা হয়। ভক্তদের কণ্ঠে ব্রহ্মাণ্ডে উঠিল ধ্বনি পুরিয়া আকাশ ধ্বনিতে মুখরিত হয়ে ওঠে মন্দির প্রাঙ্গণ। সত্য সনাতন টিভি
প্রধান অতিথির বক্তব্য সাবেক মেয়র স্বাধীন কুমার কুন্ডু তাঁর বক্তব্যে বলেন, “হরিনাম সংকীর্তন মানুষের মনকে পবিত্র করে, সমাজে শান্তি ও সম্প্রীতি বজায় রাখে। ধর্ম-বর্ণ নির্বিশেষে সকলকে মিলেমিশে থাকার শিক্ষা দেয় হরিবাসর।” তিনি আরও বলেন, শেরপুরের সাংস্কৃতিক ঐতিহ্য রক্ষায় এ ধরনের ধর্মীয় অনুষ্ঠান গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখছে।
তিনি আয়োজক কমিটিকে ধন্যবাদ জানিয়ে ভবিষ্যতেও এমন আয়োজন অব্যাহত রাখার আহ্বান জানান। এ সময় তিনি মন্দিরের উন্নয়ন ও ভক্তদের সুবিধার জন্য সার্বিক সহযোগিতার আশ্বাস দেন।
অনুষ্ঠানে পৌর বিএনপির নেতৃবৃন্দ, স্থানীয় হিন্দু সম্প্রদায়ের গণ্যমান্য ব্যক্তি, মন্দির কমিটির সদস্য ও শত শত ভক্ত-পুণ্যার্থী অংশ নেন। সন্ধ্যায় ভোগ আরতি শেষে সকলের মাঝে মহাপ্রসাদ বিতরণ করা হয়। সত্য সনাতন টিভি
উল্লেখ্য, শ্রীহরিবাসর-গীতি অনুযায়ী হরিবাসরে নৃত্য-কীর্তনের মাধ্যমে জগতের প্রাণ জাগ্রত হয় বলে বিশ্বাস করা হয়। শেরপুরে প্রতিবছর এ উৎসব ঘিরে হিন্দু সম্প্রদায়ের মধ্যে বিশেষ উদ্দীপনা দেখা যায়।