রংপুর নগরে এক তরুণকে কুপিয়ে হত্যার ঘটনার জেরে হিন্দুপাড়ায় বাড়িঘর ও দোকানপাটে হামলা-ভাঙচুরের ঘটনায় দ্রুত বিচার আইনে মামলা হয়েছে। এ ঘটনায় ইতিমধ্যে চারজনকে গ্রেপ্তার দেখিয়েছে পুলিশ।
রোববার (দুপুরে) রংপুর মহানগর পুলিশের নবাবগঞ্জ পুলিশ ফাঁড়ির ইনচার্জ আব্দুল্লাহ বিন কাশেম বাদী হয়ে কোতোয়ালি থানায় মামলাটি দায়ের করেন। মামলায় সাতজনের নাম উল্লেখ করা হয়েছে। পাশাপাশি অজ্ঞাতনামা আরও ২৫–৩০ জনকে আসামি করা হয়েছে। সত্য সনাতন টিভি
গ্রেপ্তার ব্যক্তিরা হলেন নগরের নূরপুর এলাকার মো. শান্ত (২১), দক্ষিণ কামাল কাছনা এলাকার আশিক ইসলাম (২২), তাঁর ভাই রাতুল ইসলাম (২০) এবং একই এলাকার নাহিদ ইসলাম (২৩)।
পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, গত শুক্রবার রাতে নগরের ২৪ নম্বর ওয়ার্ডের হিন্দুপাড়ায় হামলার ঘটনা ঘটে। এতে অন্তত ২০টি দোকানের শাটার ভাঙচুর করা হয় এবং প্রায় ১০টি বসতবাড়ির গেট, জানালা ও টিনের বেড়া ক্ষতিগ্রস্ত হয়। সত্য সনাতন টিভি
এর আগে বৃহস্পতিবার বিকেলে কামাল কাছনা দাসপাড়া (মাছুয়াপাড়া) মোড়ে রাকিব হাসান (২০) নামের এক তরুণকে কুপিয়ে হত্যা করা হয়। তিনি পাশের বৈরাগীপাড়া এলাকার বাসিন্দা। স্থানীয়দের অভিযোগ, মাদক ব্যবসা সংক্রান্ত বিরোধের জেরে এ হত্যাকাণ্ড ঘটে। এ ঘটনায় নিহতের বাবা আবদুস সামাদ বাদী হয়ে সাতজনের নাম উল্লেখ করে হত্যা মামলা করেন। সত্য সনাতন টিভি
প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, শুক্রবার রাতে রাকিবের দাফন শেষে একদল যুবক লাঠিসোঁটা ও দেশীয় অস্ত্র নিয়ে মাছুয়াপাড়া এলাকায় গিয়ে হামলা চালায়। ক্ষতিগ্রস্তদের দাবি, হত্যাকাণ্ডের সাক্ষী না হওয়াকে কেন্দ্র করে তাঁদের ওপর এ হামলা হয়। সত্য সনাতন টিভি
রংপুর মহানগর পুলিশের উপকমিশনার হাবিবুর রহমান জানান, হত্যাকাণ্ডের পেছনে মাদকসংক্রান্ত বিরোধ ও ব্যক্তিগত দ্বন্দ্ব উভয় বিষয়ই তদন্ত করে দেখা হচ্ছে। তিনি বলেন, “ঘটনাটি অন্যদিকে প্রবাহিত করতে তৃতীয় পক্ষ ভাঙচুরে জড়িত থাকতে পারে।”
পুলিশ জানিয়েছে, বর্তমানে হিন্দুপাড়ার পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রয়েছে। এলাকায় অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে এবং নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে নিয়মিত টহল জোরদার করা হয়েছে।