চট্টগ্রামের রাঙ্গুনিয়া উপজেলার পোমরা ইউনিয়নের গোচরা এলাকার মহত্তরখীল দাসপাড়ায় বাংলাদেশ গীতা শিক্ষা কমিটি (বাগীশিক)-এর উদ্যোগে ও পোমরা ইউনিয়ন সংসদের সার্বিক সহযোগিতায় প্রতিষ্ঠিত হলো নতুন গীতা শিক্ষা প্রতিষ্ঠান ‘শ্রী জ্বালা কুমারী মাতৃ মন্দির বাগীশিক গীতা বিদ্যা নিকেতন’।
শুক্রবার আয়োজিত এক উদ্বোধনী অনুষ্ঠানের মধ্য দিয়ে আনুষ্ঠানিকভাবে এ গীতা স্কুলের কার্যক্রম শুরু হয়। অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তি শ্রীযুক্ত শৈলেশ্বর দাস।
অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বাগীশিক রাঙ্গুনিয়া উপজেলা সংসদের সিনিয়র সহ-সভাপতি শ্রী মিল্টন চক্রবর্তী। প্রধান বক্তা হিসেবে বক্তব্য রাখেন উপজেলা সংসদের সাধারণ সম্পাদক শ্রী বাদল কান্তি নাথ। ধর্মীয় আলোচনা করেন মাস্টার ট্রেইনার শ্রী রাজীব দত্ত।
বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন যুগ্ম সম্পাদক শুভরাজ আচার্য্য নয়ন, অর্থ সম্পাদক প্রদীপ শীল, আইন বিষয়ক সম্পাদক অমর্ত্য প্রসাদ রিন্টু এবং সমাজকল্যাণ বিষয়ক সম্পাদক কৃষ্ণ আচার্য্য। এছাড়াও গীতা প্রচারক ও গীতানুরাগী দীপক দাশ ও ভক্তি পরায়ণ সুদর্শন পরিষদের প্রতিষ্টাতা,গীতা প্রচারক ও গীতানুরাগী শ্রী নয়ন সাহা সহ স্থানীয় নেতৃবৃন্দ এবং অসংখ্য ভক্ত-অনুরাগী উপস্থিত ছিলেন।
অনুষ্ঠানে বাগীশিক পোমরা ইউনিয়ন সংসদের সভাপতি ছোটন দাশ, সাধারণ সম্পাদক পল্লব কান্তি চৌধুরী, সাংগঠনিক সম্পাদক নিলয় দে, অর্থ সম্পাদক শয়ন মহাজন, গীতা প্রশিক্ষণ বিষয়ক সম্পাদক দূর্জয় শীল, গীতা স্কুল বিষয়ক সম্পাদক বিজয় দে, প্রচার ও প্রকাশনা সম্পাদক পলাশ দাশ এবং স্বেচ্ছাসেবক জয়তু দাশসহ অন্যান্য নেতৃবৃন্দ অংশ নেন।
শ্রীমদ্ভগবদগীতা পাঠের মাধ্যমে অনুষ্ঠানের সূচনা করা হয়। পরবর্তীতে শুভরাজ আচার্য্য নয়ন মঙ্গল প্রদীপ প্রজ্জ্বলনের মাধ্যমে আনুষ্ঠানিকভাবে গীতা বিদ্যা নিকেতনের উদ্বোধন ঘোষণা করেন।
অনুষ্ঠান সঞ্চালনা করেন পল্লব কান্তি চৌধুরী। সমাপনী পর্বে ৫৫ জন গীতা শিক্ষার্থীর মাঝে শ্রীমদ্ভগবদগীতা বিতরণ করা হয়।
নবপ্রতিষ্ঠিত এই গীতা বিদ্যালয়ের শিক্ষক হিসেবে দায়িত্ব পালন করবেন দিগন্ত বসাক।
আয়োজকরা জানান, গীতার আলো ঘরে ঘরে পৌঁছে দিতে এবং নতুন প্রজন্মকে ধর্মীয় শিক্ষায় উদ্বুদ্ধ করতে এ উদ্যোগ গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।
গীতারস্লোগানে“শ্রীশ্রী গীতার আলো—ঘরে ঘরে জ্বালো,
বাগীশিকের আলো—ঘরে ঘরে জ্বালো।”
এই গীতা শিক্ষার প্রসারে এ ধরনের উদ্যোগ ভবিষ্যতে সমাজে নৈতিক ও আধ্যাত্মিক চেতনা জাগ্রত করতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।