হিন্দু বিবাহিত নারীর শাঁখা–সিঁদুর পরা নিয়ে ধর্মীয় বা আইনি কোনো বাধ্যবাধকতা নেই বলে মন্তব্য করেছেন জনপ্রিয় উপস্থাপিকা কনটেন্ট ক্রিয়েটর স্মিতা চৌধুরী। ব্যক্তিগত জীবন নিয়ে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে কটূক্তি ও ব্যঙ্গের জবাবে তিনি আইনি পদক্ষেপ নেওয়ার কথাও জানান। সত্য সনাতন টিভি
বৃহস্পতিবার নিজের ভেরিফায়েড ফেইসবুক পেইজে দেওয়া এক পোস্টে স্মিতা চৌধুরী লেখেন, শাঁখা–সিঁদুরের সঙ্গে স্বামীর মঙ্গল বা আয়ুর কোনো সম্পর্ক নেই। তাঁর ভাষ্য, এটি কেবল বিবাহিত পরিচয়ের একটি সামাজিক চিহ্ন। তিনি জানান, কাজের প্রয়োজনে সব সময় শাঁখা–সিঁদুর পরেন না, তবে বাসায় ফিরে ব্যক্তিগত পরিসরে তা অনুসরণ করেন। কাজ ও ব্যক্তিগত জীবনকে তিনি আলাদা করে দেখেন বলেও উল্লেখ করেন। সত্য সনাতন টিভি
পোস্টে স্মিতা চৌধুরী অভিযোগ করেন, দীর্ঘদিন ধরে তাঁর চেহারা বিকৃত করে ছবি প্রকাশ, রোস্টিং ও অশ্লীল মন্তব্য করা হয়েছে। আগে এসব উপেক্ষা করলেও এবার তিনি কঠোর অবস্থান নিয়েছেন। তিনি দাবি করেন, কারও অনুমতি ছাড়া ছবি প্রকাশ ও কটূক্তি করা সাইবার অপরাধের শামিল।
তিনি আরও বলেন তাঁর পরিবারের একজন সদস্য আটজনের একটি তালিকা তৈরি করেছেন, যাদের বিরুদ্ধে আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে। এর মধ্যে কয়েকজন পোস্ট মুছে ফেলেছেন বলেও তিনি উল্লেখ করেন। বাকি ব্যক্তিদের বিরুদ্ধেও মামলা করা হয়েছে বলে দাবি করেন তিনি। পাশাপাশি মানহানির মামলায় আর্থিক ক্ষতিপূরণ চাওয়ার কথাও জানান।
স্মিতা চৌধুরী পোস্টে সতর্ক করে বলেন, ব্যক্তিগত জীবন নিয়ে অতিরিক্ত হস্তক্ষেপ করলে সংশ্লিষ্টদের আইনি জটিলতায় পড়তে হতে পারে। তিনি সবাইকে নিজ নিজ জীবন নিয়ে ব্যস্ত থাকার এবং অন্যের ব্যক্তিগত পরিসরকে সম্মান করার আহ্বান জানান।
পোস্টটি প্রকাশের পর সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে এ নিয়ে আলোচনা তৈরি হয়েছে। এর আগে গত ০৭ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ ইংরেজি রোজ শনিবার চট্টগ্রামের ছেলের সাথে পারিবারিকভাবে বিবাহ বন্ধনে আবদ্ধ হয়েছেন।