সুনামগঞ্জে গৃহবধূ সুমি দাশ হত্যাকাণ্ডের ঘটনায় নিহতের স্বামী কিশাল শেখর দাস (২৪) কে গ্রেপ্তার করেছে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী। ৯ জানুয়ারি ২০২৬ ইংরেজী শুক্রবার সকালে তাকে হত্যা মামলায় গ্রেপ্তার দেখিয়ে আদালতের মাধ্যমে কারাগারে পাঠানো হয়।
এর আগে গত ৮ জানুয়ারি বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় র্যাবের একটি দল সুনামগঞ্জ সদর থানাধীন ষোলঘর এলাকা থেকে কিশালকে আটক করে। পরে তাকে সদর মডেল থানায় হস্তান্তর করা হয়। গ্রেপ্তারকৃত কিশাল শেখর দাস সুনামগঞ্জ জেলার দিরাই থানাধীন টাইলা গ্রামের বাসিন্দা এবং কুলেন্দু শেখর দাসের ছেলে।
শুক্রবার দুপুরে র্যাবের পক্ষ থেকে জানানো হয়, হবিগঞ্জ জেলার নবীগঞ্জ থানার দত্তগ্রাম এলাকার বাসিন্দা সুমি দাশের সঙ্গে পারিবারিকভাবে কিশালের বিয়ে হয়। বিয়ের পর থেকেই পারিবারিক নানা বিষয় নিয়ে কিশাল ও তার পরিবারের সদস্যরা সুমির ওপর শারীরিক নির্যাতন চালাতেন বলে অভিযোগ রয়েছে।
র্যাব জানায়, হত্যাকাণ্ডের প্রায় দুই মাস আগে নির্যাতনের শিকার হয়ে সুমি তার বাবার বাড়িতে আশ্রয় নেন। পরে দেড় মাস আগে উভয় পরিবারের সমঝোতার মাধ্যমে তাকে আবার সুনামগঞ্জ সদর মডেল থানাধীন ধোপাখালী এলাকার একটি ভাড়া বাসায় নিয়ে যাওয়া হয়। সত্য সনাতন টিভি
গত ৭ জানুয়ারি বিকেলে সুমির শ্বশুর তার মাকে ফোন করে জানান যে সুমি মারা গেছেন এবং তার মরদেহ সুনামগঞ্জ সদর হাসপাতালের জরুরি বিভাগে রাখা হয়েছে। খবর পেয়ে পরিবারের সদস্যরা হাসপাতালে গিয়ে সুমির গলা, হাতসহ শরীরের বিভিন্ন স্থানে আঘাতের চিহ্ন দেখতে পান।
এ ঘটনায় নিহত সুমির মা বাদী হয়ে সুনামগঞ্জ সদর মডেল থানায় একটি হত্যা মামলা দায়ের করেন। মামলার প্রেক্ষিতে স্বামী কিশাল শেখর দাসকে গ্রেপ্তার করা হয়।
পুলিশ জানিয়েছে, ঘটনার তদন্ত চলমান রয়েছে এবং হত্যাকাণ্ডের সঙ্গে জড়িত অন্যদের ভূমিকা খতিয়ে দেখা হচ্ছে।