আগামী আসছে ১৪ জানুয়ারি ২০২৬ ইংরেজি বাংলার ২৯ পৌষ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ রোজ বুধবার দক্ষিণ চট্টগ্রামের ঐতিহ্যবাহী তীর্থস্থান শ্রীশ্রী শুক্লাম্বর দিঘী পীঠ মন্দিরে অনুষ্ঠিত হবে বাৎসরিক উত্তরায়ণ সংক্রান্তি পূণ্যস্নান, পূজা ও মেলা। চট্টগ্রামের চন্দনাইশ উপজেলার বরমা বাইনজুরীতে অবস্থিত এই আয়োজনের দায়িত্বে রয়েছেন শ্রীশ্রী শুক্লাম্বর দিঘী উন্নয়ন কমিটি।
শ্রীশ্রী শুক্লাম্বর দিঘী উন্নয়ন কমিটি সত্য সনাতন টিভিকে জানিয়েছেন, সংক্রান্তি উপলক্ষে ভোর থেকেই দিঘির পাড়ে ভক্তদের সমাগম ঘটে, পূণ্যস্নান, বিশেষ পূজা ও মানত নিবেদনকে কেন্দ্র করে দিনভর চলে ধর্মীয় আচার-অনুষ্ঠান। পাশাপাশি বসে লোকজ মেলা। এর মধ্যে উউসব মূখর পরিবেশ বিরাজ করছে মন্দির জুড়ে। সত্য সনাতন টিভি
স্থানীয়দের ভাষ্য মতে প্রায় ৮০০ বছরেরও বেশি সময় ধরে শুক্লাম্বর দিঘী ভক্তি, বিশ্বাস ও লোকাচারের প্রতীক হয়ে আছে। পৌষ সংক্রান্তিতে প্রতিবছর দূরদূরান্ত থেকে হাজারো পূণ্যার্থী এখানে আসেন। কেউ দিঘিতে দুধ ঢালেন, কেউ কবুতর ও ছাগল স্নান করিয়ে লালসালু খুলে অশ্বত্থ গাছের নিচে ছেড়ে দেন। গাছটিকে ঘিরেও রয়েছে দীর্ঘদিনের লোকবিশ্বাস।
দিঘির পাড়ে অবস্থিত শ্রীশ্রী শুক্লাম্বর মন্দিরে ভক্তরা বসেন প্রার্থনায়। অনেকেই মানত করে আসেন কারও বিশ্বাস, এখানে মানত করলে মনোবাসনা পূর্ণ হয়।
মন্দির কমিটির সাবেক সাধারণ সম্পাদক ও স্থানীয় প্রবীণ অমর কান্তি ভট্টাচার্য বলেন, ‘শুক্লাম্বর দিঘিকে ঘিরে বহু কিংবদন্তি প্রচলিত আছে। প্রজন্মের পর প্রজন্ম ধরে মানুষের বিশ্বাস অটুট রয়েছে। যারা মানত করেন, তারা পূরণ হলে আবার কৃতজ্ঞতা জানাতে ফিরে আসেন।’ সত্য সনাতন টিভি
পূণ্যার্থীদের নিরাপত্তা ও সুশৃঙ্খল আয়োজন নিশ্চিত করতে স্বেচ্ছাসেবক টিম, চিকিৎসা সহায়তা ও প্রশাসনের সঙ্গে সমন্বয় রাখা হবে। সংক্রান্তির দিনটি নির্বিঘ্ন ও শান্তিপূর্ণভাবে সম্পন্ন করতে সব প্রস্তুতি প্রায় শেষ বলে জানান আয়োজক কমিটি।