রংপুরের তারাগঞ্জে বীর মুক্তিযোদ্ধা যোগেশ রায় ও তাঁর স্ত্রী সুবর্ণা রায়, মৎস্যব্যবসায়ী উৎপল সরকার এবং স্বর্ণ ব্যবসায়ী প্রাণোতোষ কর্মকারকে নৃশংসভাবে হত্যার ঘটনার পর দেশজুড়ে সংখ্যালঘু হিন্দু সম্প্রদায়ের ওপর নির্যাতন, জমি দখল ও মন্দির ভাঙচুরের প্রতিবাদে মানববন্ধন কর্মসূচি ঘোষণা করেছে বাংলাদেশ জাতীয় হিন্দু মহাজোট।
সংগঠনের মহাসচিব অ্যাডভোকেট গোবিন্দ চন্দ্র প্রামানিক সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে এক পোস্টে জানান, আসন্ন ১২ ডিসেম্বর, শুক্রবার সকাল ১০ ঘটিকায় জাতীয় প্রেসক্লাবের সামনে মানববন্ধন ও বিক্ষোভ সমাবেশ অনুষ্ঠিত হবে। "সত্য সনাতন টিভি"
হিন্দু মহাজোটের পাঠানো বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, সাম্প্রতিক সময়ে দেশের বিভিন্ন স্থানে সংখ্যালঘু হিন্দুদের ওপর ধারাবাহিক হত্যাকাণ্ড, বাড়ি–জমি দখল, উপাসনালয়ের জায়গা জবরদখল, মন্দির ভাঙচুর ও হামলার ঘটনা বেড়েই চলেছে। এসব ঘটনায় সৃষ্টি হয়েছে উদ্বেগ ও আতঙ্ক। সংগঠনটির অভিযোগ, সরকারি নীরবতা ও বিচারহীনতার পরিবেশ এসব অপরাধকে আরও উৎসাহিত করছে।
সংগঠনটি দুটি দাবি তুলে ধরে জাতীয় সংসদে সংরক্ষিত আসন বৃদ্ধি এবং পৃথক নির্বাচন ব্যবস্থা পুনর্বহাল। তাদের ভাষ্য, দীর্ঘদিন ধরে হিন্দু সম্প্রদায় রাজনৈতিক প্রতিনিধিত্ব থেকে বঞ্চিত হচ্ছে, যা সংখ্যালঘু অধিকার সুরক্ষার পথে বড় বাধা।
মানববন্ধন কর্মসূচি সফল করতে দেশব্যাপী সনাতনী হিন্দু সমাজকে অংশ নেওয়ার আহ্বান জানিয়ে সংগঠনটি বলেছে,
“সময় এসেছে বজ্রকণ্ঠে প্রতিবাদ জানানোর। নীরবতা আমাদের অস্তিত্বকে আরও সংকটে ফেলবে।” "সত্য সনাতন টিভি"
হিন্দু মহাজোটের নেতাদের মতে, এই সমাবেশ কেবল প্রতীকী প্রতিবাদ নয়; সংখ্যালঘু নিরাপত্তা, মানবাধিকার ও রাজনৈতিক প্রতিনিধিত্ব নিশ্চিত করার সংগ্রামের নতুন সূচনা হতে পারে এটি।